Skip to main content

Posts

How high is the sky?

    How high is the sky?  Allah Ta'ala has promised that Allah Ta'ala will forgive even if it is a sin for such a high sky, Allahu Akbar.  Allaah says (interpretation of the meaning): O you who believe! Repent to Allah with sincere repentance;  Hopefully, your Lord will forgive your sins.  (Surat at-Tahrim: 6) Allaah says (interpretation of the meaning): O children of Adam!  As long as you call me and hope for forgiveness from me, no matter what your condition is, I don't care about anyone, and I will forgive you.  O children of Adam!  If your sin reaches heaven, and you ask me for forgiveness, I will forgive you, I don't care about anyone.  O children of Adam!  If you meet me with worldly sins and do not associate with me, I will come to you with worldly forgiveness.  (Mishkat: 2336) Just need 1.  Repentance is for Allah alone, not for show. 2.  Must repent for the crime committed. 3.  Must return from the crime...

Death of Abu Zar Ghiffari in the heart of the desert.

  Death of Abu Zar Ghiffari in the heart of the desert. Death of Hazrat Abu Zar Ghiffari (may Allah be pleased with him) 32  AH.  Abu Jarr Ghiffari was present at the time of his death.  He and his wife are alone in the desert.  Rabah was a place where people usually did not move at all, at a time when no trade caravan was traveling.  Seeing the condition of the dying Abu Jarr Ghiffari, his wife became desperate for help.  Seeing this condition of his wife, Abu Jarr Ghiffari said: : Don't worry, I heard the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, say, he said;  One of you will die here in the desert.  But a group of believers will be there at the time of his death.  I'm sure that's me because all of us who were there that day have died.  Only I am left.  You keep an eye on the path.  Surely the Messenger of Allah did not lie. "  Abu Jarr Ghiffari (may Allah be pleased with him) breathed his last i...

আবু জর গিফারী রাঃ এর ওফাত।

 Tasnimul Hasan: মরুর বুকে আবু জর গিফারী রাঃ এর ওফাত। হযরত আবু জর গিফারী রাদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু’র ওফাতঃ ৩২ হিজরী। আবু জর গিফারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-এঁর ওফাতের  সময় উপস্থিত হয়েছে। নির্জন মরুভূমিতে তিনি আর তাঁর স্ত্রী একা। রাবাতাহ  ছিলো এমন একটি যায়গা যেখান দিয়ে সাধারণত একেবারেই লোক চলাচল হতো না, তার উপর সে সময়টা এমন ছিলো যখন কোন বাণিজ্য কাফেলাও যাতায়াত করতো না।। মৃত্যুপথযাত্রী আবু জর গিফারী রাদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু-এঁর অবস্থা দেখে তাঁর স্ত্রী ব্যাকুল হয়ে পড়লেন কোনো সাহায্যের আশায়। স্ত্রীর এ অবস্থা দেখে আবু জর গিফারী রাদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু বললেন; :চিন্তা করো না, আমি রাসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আ’লিহি ওয়াছাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, তিঁনি বলেছেন; তোমাদের মধ্যে এখানকার একজনের মৃত্যু হবে নির্জন মরুভূমিতে। কিন্তু তার মৃত্যুর সময় মুমিনদের একটি দল সেখানে উপস্থিত হবে। আমি নিশ্চিত সে ব্যক্তিটিই আমি, কারণ সেদিন আমরা যারা সেখানে উপস্থিত ছিলাম তাদের সবাই মৃত্যুবরণ করেছেন। কেবল আমিই বাকী। তুমি পথের দিকে খেয়াল রাখ। নিশ্চয়-ই আল্লাহর রাসূল মিথ্যা বলেন নি।”...

আকাশ কত উঁচুতে?

 আকাশ কত উঁচুতে?  এই এত উঁচু আকাশ পরিমাণ গুনাহ হলেও আল্লাহ তা'য়ালা ক্ষমা করে দেবেন বলে ওয়াদা করেছেন, আল্লাহু আকবার।  আল্লাহ তা'য়ালা বলেছেন, হে ঈমানদারগণ, তোমরা আল্লাহর কাছে তাওবা কর, খাঁটি তাওবা; আশা করা যায় তোমাদের রব তোমাদের পাপসমূহ মোচন করবেন। (সূরা আত-তাহরিম:৮) আল্লাহ তা‘আলা বলেন, হে আদম সন্তান! তুমি যতক্ষণ পর্যন্ত আমাকে ডাকবে ও আমার নিকট ক্ষমার আশা পোষণ করবে, তোমার অবস্থা যা-ই হোক না কেন, আমি কারো পরোয়া করি না, আমি তোমাকে ক্ষমা করে দেবো। হে আদম সন্তান! তোমার গুনাহ যদি আকাশ পর্যন্তও পৌঁছে, আর তুমি আমার কাছে ক্ষমা চাও, আমি তোমাকে ক্ষমা করে দিব, আমি কারো পরোয়া করি না। হে আদম সন্তান! তুমি যদি পৃথিবীসম গুনাহ নিয়েও আমার সাথে সাক্ষাৎ করো এবং আমার সাথে কাউকে শারীক না করে সাক্ষাৎ করো, আমি পৃথিবীসম ক্ষমা নিয়ে তোমার কাছে উপস্থিত হব। (মিশকাত:২৩৩৬) প্রয়োজন শুধুই- ১. একমাত্র আল্লাহ তা‘আলার জন্যই তাওবা করতে হবে, লোক দেখানোর জন্য নয়। ২. কৃত অপরাধের জন্য অনুতপ্ত হতে হবে। ৩. কৃত অপরাধ থেকে ফিরে আসতে হবে। যদি মানুষের হক থাকে তাহলে তা ফেরত দিতে হবে। ৪. দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করা যে, ভবিষ্যতে কখন...

"আশুরা"

                              "আশুরা" ইসলামিক পঞ্জিকা অনুযায়ী মুহররম এর দশম দিনকে আশুরা বলা হয়। এটি ইসলাম ধর্ম অনুসারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। সুন্নি মতানুযায়ী ইহুদীরা মুসার বিজয়ের স্মরণে আশুরার দিন সাওম বা রোজা পালন করত। তবে শিয়া মত আশুরার পূর্ব ইতিহাসকে প্রত্যাখ্যান করে এবং তারা আশুরাকে কারবালার বিষাদময় ঘটনার স্মরণে পালন করে। এই দিনটি শিয়া মুসলমানদের দ্বারা বেশ আনুষ্ঠানিকভাবে পালন করা হয়ে থাকে। এ উপলক্ষে তারা বিভিন্ন ধরনের মিছিল, মাতম ও শোকানুষ্ঠান আয়োজন করে। তবে একটি ক্ষুদ্র অংশ ততবীর পালন করে থাকে। শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলগুলোতে এসব অনুষ্ঠান চোখে পড়ার মত। যেমন- পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ইরান, ইরাক, লেবানন ও বাহরাইন। ‘আশুরা’ শব্দটি আরবি ‘আশারা’ শব্দমূল থেকে নির্গত। অর্থ দশ। শরিয়তের পরিভাষায় মহররমের দশম দিবসকে ‘আশুরা’ বলে অভিহিত করা হয়। হিজরি বর্ষের সূচনা হয় এই মহররম মাসের মাধ্যমে। ‘মহররম’ শব্দের অর্থ পবিত্রতম ও মর্যাদাপূর্ণ। ইসলামপূর্ব জাহেলি যুগে এ মাসকে বিশেষ মর্যাদা ও সম্মানের চোখে দেখা হতো। ...

সুলতান সাইফুদ্দীন কুতুজ : সংক্ষিপ্ত পরিচিতি।

 Tasnimul Hasan: সুলতান সাইফুদ্দীন কুতুজ : সংক্ষিপ্ত পরিচিতি।   সাইফ আদ-দ্বীন কুতুজ (আরবি: سيف الدين قطز) বা সাইফুদ্দিন কুতুজ ছিলেন মিশরের মামলুক সুলতান। সুলতান সাইফুদ্দিন কুতুজ এর পুরো নাম আল-মালেক-মুজাফফর সাইফ আদ-দীন কুতুজ। সাইফুদ্দিন কুতুজ, মাহমুদ বিন মামদুদ নামেও অনেক বেশি পরিচিত ছিলেন। তিনি ছিলেন তুর্কি বংশোদ্ভূত তরুণ মামলুক সুলতান। ইতিহাসের আলোচিত প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের অধিকারী সুলতান সাইফুদ্দিন কুতুজ মাত্র এক বছর মিশরের সিংহান অলংকৃত করেছিলেন। সুলতান সাইফুদ্দিন কুতুজ ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নিয়েছেন তার বীরত্ব আর সাহসীকতার মাধ্যমে। অপ্রতিরোধ্য মোঙ্গল বাহিনীকে তিনি আইন-জালুতের প্রান্তরে শোচনীয়ভাবে ধ্বংস করে ইসলামি বিশ্বকে এক মহাবিপদ থেকে রক্ষা করেন। আইন-জালুতের সাথে তাকেও স্বরণ কার হয়। তিনি আইন-জালুতের প্রান্তরে এক নতুন উপাখ্যান সৃষ্টি করেছিলেন। ঐতিহাসিকদের মতে তিনি যদি না থাকতেন তাহলে আজ মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস অন্যভাবে লিখা হত। মাত্র এক বছর শাসন করে এক নতুন ইতিহাসের জন্ম দিয়েছেন।  * জন্ম ও শৈশব সুলতান সাইফুদ্দীন কুতুজ ১২২১ খ্রিস্টাব্দের ২ নভেম্বর  খাওয়ারিজম স...

Sultan Beavers (01) : The Father of Conquest.

   Sultan Beavers (01)     The Father of Conquest. Whenever a nation in the world has been attacked by an external enemy, the heroic fighters of that nation have come forward.  They gave up their highest and everything and built an irresistible resistance against the external enemy.  The Sufis sat in the mosque and prayed to Allah like a child, and the heroic fighters fought a great battle against the enemy.  In this case, the reality is revealed through the words of Sultan Alp Arsalan of the Seljuk era, he said- "I hope to God Almighty, if I am martyred, I will be buried in a dusty vulture's bag in a green bird's bag. If I win, you will not make me happy yesterday; today I will be considered better than yesterday." [1] Alp Arsalan knew that if he had been martyred, his grave would have been the vulture's stomach!  The one we are going to hear today is 'Al-Malik Al-Zahir Sultan Rukn-Ad-Din Al-Baybars Al-Bundukbadari'.  He was born in 1223/122...